পটের গ্রাম -- পিঙলার " নয়া " -- পশ্চিম মেদিনীপুর
বাংলার হারিয়ে যেতে বসা পটচিত্রের শিল্পীদের গ্রাম। হাজার বছরের প্রাচীন এই শিল্পকে আঁকরে আজও বেঁচে আছেন মেদিনীপুরের পিঙলা ব্লকের অজ গ্রামের এই বাসিন্দারা। পটট্ কথাটির অর্থ কাপড় ও চিত্র মানে অঙ্কন। এই পটচিত্র শিল্পীদের ব্যবহৃত রং বিভিন্ন গাছগাছালির প্রাকৃতিক উপাদান থেকে নিজেরাই তৈরি করে নেন। এর সঙ্গে আরেকটি প্রাকৃতিক উপাদান -- বেলের আঠা -- মিশিয়ে এই রং তৈরির প্রক্রিয়াও একটা দর্শনীয় ব্যাপার।
পশ্চিমবঙ্গের এমন একটি শিল্পমাধ্যম , পটচিত্র , যা দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহীক ও পুরাতন। সামাজিক, ঐতিহাসিকের পাশাপাশি সমসাময়িক বিষয়ও পটচিত্রের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। রামায়ণ, মহাভারত, চন্ডী মঙ্গল, মনসা মঙ্গলের চিরকালীন কাহিনীগুলোর পাশাপাশি সাম্প্রতিক কন্যাশী প্রকল্পের সাফল্যোও হয়ে উঠেছে পটচিত্রের বিষয়। পুটুয়ারা এই ভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছেন এবং সমসাময়িক করে রেখেছেন আমাদের এই সংস্কৃতিকে রেখায় ও কথায়। পটের ছবিটির কাহিনী গান গেয়ে বর্ননা করেন শিল্পীরা। ছবিতে , সুরে জীবন্ত হয়ে উঠে বিষয়। আজ তাই একথা বলাই যায় যে নয়াগ্রাম শুধু জেলার গর্ব নয়, রাজ্যের তথা দেশের গর্ব।
মূলত তিন ধরনের পট হয়। জড়ানো বা গোটানো পট, আড়েলাটাই পট ও চৌকানো পট। জড়ানো বা গোটানো পট অনেকটা সিনেমার রিলের মতো। যাতে ১০ - ১৫ টি ছবির মাধ্যমে ধারাবাহিক ভাবে কাহিনীটি বর্নিত হয়। আগেকার দিনে এই জড়ানো পট দেখিয়ে ও গান গেয়ে গ্রামে গ্রামে মানুষের মনোরঞ্জন করতেন পটুয়ারা। আড়েলাটাই পটের বেলায় গড়নটা হয় লম্বাটের বদলে অনুভূমিক। আর নাম থেকেই বোঝা যায় যে চৌকাপট হচ্ছে ছোট ছোট চৌকানো পট।
গোটানো ক্যানভাস খুলে পটের ছবি দেখাতে দেখাতে শিল্পীরা যে গান করেন তাকে বলে পটের গান। এই সব গানের কথা নিজেরাই বানান এবং সুর নিজেরাই দেন। এই গান পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে প্রবাহিত হয়ে আসছে।
পর্যটকদের সবসময় স্বাগত জানায় পটচিত্রের গ্রাম --- নয়া। সরকারি উদ্যোগে বা পটুয়াদের নিজেদের ব্যবস্থাপনায় এখানে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
পটুয়াদের নিজস্ব সংগঠন চিত্রতরু ক্লাস্টারের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে নবম বর্ষের পটচিত্র মেলা " পটমায়া " আগামী ১৫ - ১৮ নভেম্বর , ২০১৮।
এই পটের গ্রামের নিকটবর্তী রেলস্টেশন হাওড়া - খড়্গপুর লাইনের বলিচক। বালিচক থেকে বাসে / গাড়ীতে নয়াগ্রাম ( পিঙলা ) আধ ঘন্টার রাস্তা। কলকাতা থেকে সড়কপথে দূরত্ব ১২৫ কি মি। খড়্গপুর গামী বাসে ডেবরায় নেমে সেখান থেকে ময়নার বাসেও নয়াগ্রাম যাওয়া যায়।
বাংলার হারিয়ে যেতে বসা পটচিত্রের শিল্পীদের গ্রাম। হাজার বছরের প্রাচীন এই শিল্পকে আঁকরে আজও বেঁচে আছেন মেদিনীপুরের পিঙলা ব্লকের অজ গ্রামের এই বাসিন্দারা। পটট্ কথাটির অর্থ কাপড় ও চিত্র মানে অঙ্কন। এই পটচিত্র শিল্পীদের ব্যবহৃত রং বিভিন্ন গাছগাছালির প্রাকৃতিক উপাদান থেকে নিজেরাই তৈরি করে নেন। এর সঙ্গে আরেকটি প্রাকৃতিক উপাদান -- বেলের আঠা -- মিশিয়ে এই রং তৈরির প্রক্রিয়াও একটা দর্শনীয় ব্যাপার।
পশ্চিমবঙ্গের এমন একটি শিল্পমাধ্যম , পটচিত্র , যা দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহীক ও পুরাতন। সামাজিক, ঐতিহাসিকের পাশাপাশি সমসাময়িক বিষয়ও পটচিত্রের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। রামায়ণ, মহাভারত, চন্ডী মঙ্গল, মনসা মঙ্গলের চিরকালীন কাহিনীগুলোর পাশাপাশি সাম্প্রতিক কন্যাশী প্রকল্পের সাফল্যোও হয়ে উঠেছে পটচিত্রের বিষয়। পুটুয়ারা এই ভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছেন এবং সমসাময়িক করে রেখেছেন আমাদের এই সংস্কৃতিকে রেখায় ও কথায়। পটের ছবিটির কাহিনী গান গেয়ে বর্ননা করেন শিল্পীরা। ছবিতে , সুরে জীবন্ত হয়ে উঠে বিষয়। আজ তাই একথা বলাই যায় যে নয়াগ্রাম শুধু জেলার গর্ব নয়, রাজ্যের তথা দেশের গর্ব।
মূলত তিন ধরনের পট হয়। জড়ানো বা গোটানো পট, আড়েলাটাই পট ও চৌকানো পট। জড়ানো বা গোটানো পট অনেকটা সিনেমার রিলের মতো। যাতে ১০ - ১৫ টি ছবির মাধ্যমে ধারাবাহিক ভাবে কাহিনীটি বর্নিত হয়। আগেকার দিনে এই জড়ানো পট দেখিয়ে ও গান গেয়ে গ্রামে গ্রামে মানুষের মনোরঞ্জন করতেন পটুয়ারা। আড়েলাটাই পটের বেলায় গড়নটা হয় লম্বাটের বদলে অনুভূমিক। আর নাম থেকেই বোঝা যায় যে চৌকাপট হচ্ছে ছোট ছোট চৌকানো পট।
গোটানো ক্যানভাস খুলে পটের ছবি দেখাতে দেখাতে শিল্পীরা যে গান করেন তাকে বলে পটের গান। এই সব গানের কথা নিজেরাই বানান এবং সুর নিজেরাই দেন। এই গান পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে প্রবাহিত হয়ে আসছে।
পর্যটকদের সবসময় স্বাগত জানায় পটচিত্রের গ্রাম --- নয়া। সরকারি উদ্যোগে বা পটুয়াদের নিজেদের ব্যবস্থাপনায় এখানে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
পটুয়াদের নিজস্ব সংগঠন চিত্রতরু ক্লাস্টারের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে নবম বর্ষের পটচিত্র মেলা " পটমায়া " আগামী ১৫ - ১৮ নভেম্বর , ২০১৮।
এই পটের গ্রামের নিকটবর্তী রেলস্টেশন হাওড়া - খড়্গপুর লাইনের বলিচক। বালিচক থেকে বাসে / গাড়ীতে নয়াগ্রাম ( পিঙলা ) আধ ঘন্টার রাস্তা। কলকাতা থেকে সড়কপথে দূরত্ব ১২৫ কি মি। খড়্গপুর গামী বাসে ডেবরায় নেমে সেখান থেকে ময়নার বাসেও নয়াগ্রাম যাওয়া যায়।















No comments:
Post a Comment